বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৭ অপরাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে বিভিন্ন দলের ১২ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত স্বাধীনতার পর এই প্রথম সুনামগঞ্জের ৫টি আসনেই বিএনপির ভূমিধস জয় দিরাইয়ে বিয়ের দাওয়াতের জেরে নিহত ১ সুনামগঞ্জ-২ আসনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ সম্পন্ন: এগিয়ে ধানের শীষ ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুত সুনামগঞ্জ দিরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে বসতঘর পুড়লেও অক্ষত কুরআন শরীফ সবাহী মক্তব ফাউন্ডেশনের আয়োজনে মক্তব প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে নিজ জমিতে কাজ করতে দিচ্ছে না ভূমি খেকো একটি চক্র সুনামগঞ্জের তিনটিতে দ্বিমুখি ও দুইটিতে ত্রিমুখি লড়াইয়ের সম্ভাবনা শহীদ মাওলানা মুশতাক আহমদ গাজীনগরীর নতুন ঘর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে দুআ মাহফিল অনুষ্ঠিত

৭ ডিসেম্বর দিরাই মুক্ত দিবস

৭ ডিসেম্বর দিরাই মুক্ত দিবস

মুহাম্মদ আব্দুল বাছির সরদার:
ইতিহাসের আজকের এই দিন ৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলাকে পাকিস্তানি হানাদার ও রাজাকার মুক্ত ঘোষণা করা হয়। মুক্তিবাহিনীর তীব্র প্রতিরোধের মুখে পাক-হানাদার বাহিনী পিছু হটতে বাধ্য হয়। ৭ ডিসেম্বর দিরাই থেকে পাক বাহিনী পালিয়ে যায়। দিরাই মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুমসহ কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সাথে কথা বলে জানা যায়, ৭ ডিসেম্বর মুক্ত হয় দিরাই। দিরাইয়ের কয়েকশ লোক মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। সেই সাথে সুনামগঞ্জ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক তালেব উদ্দিনসহ ১৩ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধে শহীদ হন। একাত্তরের এদিনে রণাঙ্গনের অবস্থা আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সম্মিলিত মিত্রবাহিনীর আক্রমণে দিশেহারা হানাদার বাহিনী সূর্য ওঠার আগেই বিভিন্ন সীমান্ত ঘাঁটি থেকে পালাতে থাকে।
জানা যায়, ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। এর আগে ৪ ডিসেম্বর দিরাই উপজেলার শ্যামারচর, পেরুয়া, উজানগাঁও, দৌলতপুরসহ কয়েকটি গ্রামে অতর্কিত হামলা চালিয়ে পৈশাচিকভাবে ৩৪ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করে পাক বাহিনীর দোসর রাজাকাররা। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর এই দিনে মুক্তিযোদ্ধাদের তুমুল লড়াই ও তীব্র প্রতিরোধের মুখে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদররা দিরাই ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ায় মুক্ত হয় দিরাই।
সূত্র মতে, ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জ থেকে পালিয়ে যায় পাক হানাদার বাহিনী। খবরটি জানাজানি হলে দিরাইয়ের বিভিন্ন গ্রামে-গঞ্জে থাকা মুক্তিযোদ্ধারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ৭ ডিসেম্বর সকালে দিরাইয়ে অবস্থানকারী পাক বাহিনীর উপর চর্তুদিক থেকে আক্রমণ শুরু করেন। তীব্র আক্রমণের মুখে লঞ্চযোগে দিরাই থেকে পাক বাহিনী পালিয়ে গেলে মুক্ত হয় দিরাই। ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের দিরাইকে পাকহানাদার মুক্ত করার স্মরণে এই দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com